১৯৫৪ থেকে ১৯৬৯। ১৯৭২ থেকে ১৯৮০।
কিংবা ১৯৮৬ থেকে ১৯৯০। স্পেনের
ফুটবলে এই তিনটা সময়ে প্রবল দাপটের
সঙ্গে ছড়ি ঘুরিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
প্রথম যে সময়টার কথা বলা হলো, ওই ১৫
বছরে রিয়াল স্প্যানিশ লিগের
শিরোপা জিতেছিল ১২ বার।
দ্বিতীয় সময়টায় ছয়বার। তৃতীয়
অধ্যায়টিতে টানা পাঁচ মৌসুম
বার্সেলোনাকে দর্শক বানিয়ে
একের পর এক শিরোপা জিতেছে
রিয়াল।
সত্যি বলতে কি, ওই ১৯৯০ থেকেই
স্পেনের ফুটবলে রিয়ালের এক
আধিপত্যের দিন যেন শেষ। এই সব অতীত
ইতিহাসের গোঁফে তা দিয়ে কি আর
সান্ত্বনা হয়? ইতিহাসের সবচেয়ে বড়,
সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী, রাজকীয়
ক্লাবটির সাম্প্রতিক সাফল্যে আসলেই
ভাটার টান। এই তথ্যে তাই অনেকেই
অবাক হয়, খোদ ভারমায়েলেনের
মতো বার্সার একরকম ‘দুধভাত’
খেলোয়াড়ের নামের পাশে লা
লিগার দুটি শিরোপা, অথচ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো লা
লিগা জিতেছেনই মাত্র একবার!
২০০৫ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত গত ১১ বছরে
আটবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বার্সা।
১৯৯০ সালের পর রিয়াল লা লিগা
জিতেছে মাত্র সাতবার। এই সময়টায়
লিওনেল মেসিই কিনা রিয়ালের
চেয়ে বেশি লা লিগা জিতে
গেছেন! ১৯৯০ সালের ট্রফিটাকেও
হিসাবে নিলে মেসি-রিয়াল সমান
সমান। স্পেনের ফুটবলে সেই কাতালান
রাজত্ব চলমান থাকল এবার বার্সা
তাদের ২৪তম লা লিগা শিরোপা
জেতায়। সব মিলিয়ে রিয়ালকে ধরতে
অবশ্য এখনো ঢের বাকি। রিয়াল যে
৩২ বারের চ্যাম্পিয়ন।
তবে এই তথ্যটাও বলছে, ১৯৯০ সালে
রিয়ালের নামের পাশে ছিল ২৫টি
লিগ শিরোপা, বার্সার নামের
পাশে মাত্র ১০টি। সেই দূরত্ব বার্সা
অবিশ্বাস্য গতিতে কমিয়ে এসেছে গত
২৫ বছরে ১৪টি লিগ শিরোপা
জিতে। শুধু তা-ই নয়, আগে যেখানে
বার্সার নামের পাশে কোনো
ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটই ছিল না, এই
২৫ বছরে তারা সেটি জিতেছে
পাঁচবার। গত এই সিকি শতকের ক্লাব
ফুটবলেই বার্সা বেশ আধিপত্য বজায়
রেখেছে, যে আধিপত্য ভাঙার জন্য
গ্যালাকটিকোস পর্যন্ত গড়তে
হয়েছিল।
তাতে রিয়ালের সফলতা বা ব্যর্থতা
নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। তবে এ
নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই, গত এক
যুগে বার্সাই ফুটবলের রাজা। সেটা
স্পষ্ট হবে মেসির ক্যারিয়ারের দিকে
তাকালে। এই সময়টায় মেসি ক্লাব
ফুটবলে জিতেছেন ২৭টি ট্রফি! এই
সময়কালে গোটা রিয়াল মাদ্রিদ
জিতেছে মাত্র সাতটি ট্রফি! ২৮তম
শিরোপার জন্য স্প্যানিশ কাপের
ফাইনালে মেসি নামবেন ২২ মে,
প্রতিপক্ষ সেভিয়া।
অবশ্য এর ছয় দিন পরই মৌসুমের সবচেয়ে
বড় ট্রফি জেতার জন্য মাঠে নামবে
রিয়াল। ১১ নম্বর চ্যাম্পিয়নস লিগ
শিরোপা ছিনিয়ে নিতে। রিয়াল
কি আবারও ফুটবলের রাজা হিসেবে
ফিরে আসতে পারবে? ভাঙতে পারবে
বার্সার আধিপত্য?
কিংবা ১৯৮৬ থেকে ১৯৯০। স্পেনের
ফুটবলে এই তিনটা সময়ে প্রবল দাপটের
সঙ্গে ছড়ি ঘুরিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
প্রথম যে সময়টার কথা বলা হলো, ওই ১৫
বছরে রিয়াল স্প্যানিশ লিগের
শিরোপা জিতেছিল ১২ বার।
দ্বিতীয় সময়টায় ছয়বার। তৃতীয়
অধ্যায়টিতে টানা পাঁচ মৌসুম
বার্সেলোনাকে দর্শক বানিয়ে
একের পর এক শিরোপা জিতেছে
রিয়াল।
সত্যি বলতে কি, ওই ১৯৯০ থেকেই
স্পেনের ফুটবলে রিয়ালের এক
আধিপত্যের দিন যেন শেষ। এই সব অতীত
ইতিহাসের গোঁফে তা দিয়ে কি আর
সান্ত্বনা হয়? ইতিহাসের সবচেয়ে বড়,
সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী, রাজকীয়
ক্লাবটির সাম্প্রতিক সাফল্যে আসলেই
ভাটার টান। এই তথ্যে তাই অনেকেই
অবাক হয়, খোদ ভারমায়েলেনের
মতো বার্সার একরকম ‘দুধভাত’
খেলোয়াড়ের নামের পাশে লা
লিগার দুটি শিরোপা, অথচ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো লা
লিগা জিতেছেনই মাত্র একবার!
২০০৫ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত গত ১১ বছরে
আটবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বার্সা।
১৯৯০ সালের পর রিয়াল লা লিগা
জিতেছে মাত্র সাতবার। এই সময়টায়
লিওনেল মেসিই কিনা রিয়ালের
চেয়ে বেশি লা লিগা জিতে
গেছেন! ১৯৯০ সালের ট্রফিটাকেও
হিসাবে নিলে মেসি-রিয়াল সমান
সমান। স্পেনের ফুটবলে সেই কাতালান
রাজত্ব চলমান থাকল এবার বার্সা
তাদের ২৪তম লা লিগা শিরোপা
জেতায়। সব মিলিয়ে রিয়ালকে ধরতে
অবশ্য এখনো ঢের বাকি। রিয়াল যে
৩২ বারের চ্যাম্পিয়ন।
তবে এই তথ্যটাও বলছে, ১৯৯০ সালে
রিয়ালের নামের পাশে ছিল ২৫টি
লিগ শিরোপা, বার্সার নামের
পাশে মাত্র ১০টি। সেই দূরত্ব বার্সা
অবিশ্বাস্য গতিতে কমিয়ে এসেছে গত
২৫ বছরে ১৪টি লিগ শিরোপা
জিতে। শুধু তা-ই নয়, আগে যেখানে
বার্সার নামের পাশে কোনো
ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটই ছিল না, এই
২৫ বছরে তারা সেটি জিতেছে
পাঁচবার। গত এই সিকি শতকের ক্লাব
ফুটবলেই বার্সা বেশ আধিপত্য বজায়
রেখেছে, যে আধিপত্য ভাঙার জন্য
গ্যালাকটিকোস পর্যন্ত গড়তে
হয়েছিল।
তাতে রিয়ালের সফলতা বা ব্যর্থতা
নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। তবে এ
নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই, গত এক
যুগে বার্সাই ফুটবলের রাজা। সেটা
স্পষ্ট হবে মেসির ক্যারিয়ারের দিকে
তাকালে। এই সময়টায় মেসি ক্লাব
ফুটবলে জিতেছেন ২৭টি ট্রফি! এই
সময়কালে গোটা রিয়াল মাদ্রিদ
জিতেছে মাত্র সাতটি ট্রফি! ২৮তম
শিরোপার জন্য স্প্যানিশ কাপের
ফাইনালে মেসি নামবেন ২২ মে,
প্রতিপক্ষ সেভিয়া।
অবশ্য এর ছয় দিন পরই মৌসুমের সবচেয়ে
বড় ট্রফি জেতার জন্য মাঠে নামবে
রিয়াল। ১১ নম্বর চ্যাম্পিয়নস লিগ
শিরোপা ছিনিয়ে নিতে। রিয়াল
কি আবারও ফুটবলের রাজা হিসেবে
ফিরে আসতে পারবে? ভাঙতে পারবে
বার্সার আধিপত্য?
