স্মৃতি বজায় রাখা, সংরক্ষণ করা ও স্মরণ করাকেই মনোবিজ্ঞানের ভাষায় মানসিক দক্ষতা বলে। বেশিরভাগ মানুষের মধ্যেই ভুলে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় ভুলে গেলে তা হতাশার জন্ম দেয়। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনি অনুভব করতে পারেন যে, আপনার মেমোরির দক্ষতা ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে যার ফলে আপনি আগের মত অনেক বেশি তথ্য মনে রাখতে পারেন না।
যদিও এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া কিন্তু কিছু সহজ কাজের মাধ্যমে আপনি আপনার স্মৃতিশক্তি এমনকি মস্তিস্কের কাজেরও উন্নতি ঘটাতে পারেন যেমন-
১। শারীরিকভাবে সক্রিয়তা
শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকলে তা শুধু আপনাকে সুস্থই রাখেনা বরং আপনার ব্রেইন পাওয়ার বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এর জন্য আপনাকে খুব ভারী কাজ করতে হবে বা খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে হবে এমন নয়। সহজ কিছু ব্যায়াম যেমন হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো ইত্যাদি কাজের মাধ্যমেও আপনি আপনার স্মৃতিশক্তির এবং মস্তিস্কের কাজের কার্যকরী উন্নতি ঘটাতে পারেন।
২। মানসিকভাবে সক্রিয়তা
শারীরিক সক্রিয়তার মতোই মানসিক সক্রিয়তাও স্মৃতিশক্তির উন্নতিতে সাহায্য করে। আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন ৩০%-৫০% স্মৃতিক্ষয় রোধ করা যায় সাধারণ কিছু মানসিক ব্যায়াম যেমন- ক্রসওয়ার্ড পাজেল, দাবা খেলা, সংবাদপত্র বা বই পড়া, ভাষা শেখা এবং বিকল্প পথে ড্রাইভিং করা ইত্যাদির মাধ্যমে।
৩। স্বাস্থ্যকর খাবার
মস্তিষ্কে পুষ্টি সরবরাহকারী সুষম খাদ্য যেমন- ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার মস্তিস্ককে সর্বোচ্চ ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফল এবং সবজিতে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে যা আলঝেইমার্স রোগ থেকে এবং আপনার পুরো শরীরের বয়স সংক্রান্ত ক্ষয় রোধে সুরক্ষা প্রদান করে।
৪। ঘাসের ঘ্রাণ
অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির নিউরোসায়েন্টিস্টরা বহু বছরের গবেষণার পর জানতে পারেন যে, সতেজ ঘাসের ঘ্রাণ নিলে মস্তিস্কের দুটি অংশ- এমিগডালা(আবেগ নিয়ে কাজ করে) এবং হিপ্পোক্যাম্পাস(স্মৃতি নিয়ে কাজ করে)উদ্দীপিত হয়। এর ফলে স্ট্রেস মুক্ত হওয়া যায় এবং স্মৃতিশক্তির ও উন্নতি ঘটে।
৫। চুইং গাম
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন চুইং গাম আপনার সতর্কতার এবং স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটায়। ২০০২ ও ২০০৪ এ এপেটাইট নামক জার্নালে প্রকাশিত দুটি গবেষণা প্রতিবেদনের মাধ্যমে এটি জানা যায়। চুইং গাম হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি করে এবং মস্তিস্কের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করে।
৬। ক্যাফেইন
ক্যাফেইন গ্রহণের ঝুঁকি ও উপকারিতা নিয়ে যদিও অনেক বিতর্ক আছে, তারপর ও ক্যাফেইন যে সতর্কতা ও স্মৃতি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এই বিষয়টি কেউ অস্বীকার করতে পারবেনা। গত ৫ বছরের কিছু গবেষণায় জানা গেছে যে, ক্যাফেইন শর্টটার্ম মেমোরির উন্নতি ঘটায় এবং নারীদের স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া থেকে রক্ষা করে। ক্যাফেইন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকার জন্য এবং সর্বোচ্চ উপকারিতা লাভের জন্য পরিমিত পরিমাণে ক্যাফেইন অর্থাৎ চা, কফি ইত্যাদি পান করুন।
৭। পর্যাপ্ত ঘুম
সারাদিনের কাজের পরে শরীরের বিশ্রাম প্রয়োজন। মস্তিষ্ক সহ দেহের সার্বিক কাজ পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আপনার ঘুমাতে যাওয়ার ও ঘুম থেকে উঠার জন্য একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ সময়সূচী নির্ধারণ করুন ও মেনে চলুন। এর ফলে আপনি সময়মত ঘুমিয়ে যেতে ও উঠতে পারবেন খুব সহজেই। ঘুমের সময়ও মস্তিষ্ক তার কাজ করে যায় এবং স্মৃতি সংরক্ষণে ভালোভাবে কাজ করে।
যদিও এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া কিন্তু কিছু সহজ কাজের মাধ্যমে আপনি আপনার স্মৃতিশক্তি এমনকি মস্তিস্কের কাজেরও উন্নতি ঘটাতে পারেন যেমন-
১। শারীরিকভাবে সক্রিয়তা
শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকলে তা শুধু আপনাকে সুস্থই রাখেনা বরং আপনার ব্রেইন পাওয়ার বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এর জন্য আপনাকে খুব ভারী কাজ করতে হবে বা খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করতে হবে এমন নয়। সহজ কিছু ব্যায়াম যেমন হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো ইত্যাদি কাজের মাধ্যমেও আপনি আপনার স্মৃতিশক্তির এবং মস্তিস্কের কাজের কার্যকরী উন্নতি ঘটাতে পারেন।
২। মানসিকভাবে সক্রিয়তা
শারীরিক সক্রিয়তার মতোই মানসিক সক্রিয়তাও স্মৃতিশক্তির উন্নতিতে সাহায্য করে। আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন ৩০%-৫০% স্মৃতিক্ষয় রোধ করা যায় সাধারণ কিছু মানসিক ব্যায়াম যেমন- ক্রসওয়ার্ড পাজেল, দাবা খেলা, সংবাদপত্র বা বই পড়া, ভাষা শেখা এবং বিকল্প পথে ড্রাইভিং করা ইত্যাদির মাধ্যমে।
৩। স্বাস্থ্যকর খাবার
মস্তিষ্কে পুষ্টি সরবরাহকারী সুষম খাদ্য যেমন- ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার মস্তিস্ককে সর্বোচ্চ ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফল এবং সবজিতে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে যা আলঝেইমার্স রোগ থেকে এবং আপনার পুরো শরীরের বয়স সংক্রান্ত ক্ষয় রোধে সুরক্ষা প্রদান করে।
৪। ঘাসের ঘ্রাণ
অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির নিউরোসায়েন্টিস্টরা বহু বছরের গবেষণার পর জানতে পারেন যে, সতেজ ঘাসের ঘ্রাণ নিলে মস্তিস্কের দুটি অংশ- এমিগডালা(আবেগ নিয়ে কাজ করে) এবং হিপ্পোক্যাম্পাস(স্মৃতি নিয়ে কাজ করে)উদ্দীপিত হয়। এর ফলে স্ট্রেস মুক্ত হওয়া যায় এবং স্মৃতিশক্তির ও উন্নতি ঘটে।
৫। চুইং গাম
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন চুইং গাম আপনার সতর্কতার এবং স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটায়। ২০০২ ও ২০০৪ এ এপেটাইট নামক জার্নালে প্রকাশিত দুটি গবেষণা প্রতিবেদনের মাধ্যমে এটি জানা যায়। চুইং গাম হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি করে এবং মস্তিস্কের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করে।
৬। ক্যাফেইন
ক্যাফেইন গ্রহণের ঝুঁকি ও উপকারিতা নিয়ে যদিও অনেক বিতর্ক আছে, তারপর ও ক্যাফেইন যে সতর্কতা ও স্মৃতি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এই বিষয়টি কেউ অস্বীকার করতে পারবেনা। গত ৫ বছরের কিছু গবেষণায় জানা গেছে যে, ক্যাফেইন শর্টটার্ম মেমোরির উন্নতি ঘটায় এবং নারীদের স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া থেকে রক্ষা করে। ক্যাফেইন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকার জন্য এবং সর্বোচ্চ উপকারিতা লাভের জন্য পরিমিত পরিমাণে ক্যাফেইন অর্থাৎ চা, কফি ইত্যাদি পান করুন।
৭। পর্যাপ্ত ঘুম
সারাদিনের কাজের পরে শরীরের বিশ্রাম প্রয়োজন। মস্তিষ্ক সহ দেহের সার্বিক কাজ পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আপনার ঘুমাতে যাওয়ার ও ঘুম থেকে উঠার জন্য একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ সময়সূচী নির্ধারণ করুন ও মেনে চলুন। এর ফলে আপনি সময়মত ঘুমিয়ে যেতে ও উঠতে পারবেন খুব সহজেই। ঘুমের সময়ও মস্তিষ্ক তার কাজ করে যায় এবং স্মৃতি সংরক্ষণে ভালোভাবে কাজ করে।
