বাংলাদেশে জামালপুর জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪.৯২° উত্তর ৮৯.৯৬° পূর্ব
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ
আয়তন
• মোট ২০৩১.৯৮ কিমি২ (৭৮৪.৫৫ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (2011)
• মোট ২৩,৮৪,৮১০[১]
স্বাক্ষরতার হার
• মোট ৩৮.৫%(
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট http://www.jamalpur.gov.bd/
জামালপুর জেলা বাংলাদেশের উত্তর-মধ্যাংশের ময়মনসিংহ বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ২০১৫ পর্যন্ত এটি ঢাকা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিল। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। বিশেষ করে কৃষি পণ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। এটি রেল পথে ময়মনসিংহ, জগন্নাথগঞ্জ ঘাট, এবং বাহাদুরাবাদ ঘাট ও ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, এবং মেঘালয় (ভারত) এর সঙ্গে রাস্তা দ্বারা সংযুক্ত। কৃষি প্রধান এ অঞ্চলে মূলত প্রধান ফসলের মধ্যে ধান, পাট, আখ, সরিষা বীজ, চিনাবাদাম, এবং গম হয়।
ভৌগোলিক সীমানা সম্পাদনা
জামালপুর জেলার উত্তরে কুড়িগ্রাম জেলা এবং শেরপুর জেলা, দক্ষিণে টাঙ্গাইল জেলা, পূর্বে শেরপুর জেলা ও ময়মনসিংহ জেলা এবং পশ্চিমে বগুড়া জেলা ও যমুনা নদী অবস্থিত।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ সম্পাদনা
জামালপুর জেলা ৭টি উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত; এগুলো হলোঃ
ইসলামপুর,
জামালপুর সদর,
দেওয়ানগঞ্জ,
বকশীগঞ্জ,
মাদারগঞ্জ,
মেলান্দহ এবং
সরিষাবাড়ি।
ইতিহাস সম্পাদনা
ঐতিহাসিক সূত্রে জানাযায়, দিল্লির সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে (১৫৫৬- ১৬০৫) হযরত শাহ জামাল (রহ.) নামে একজন ধর্মপ্রচারক ইয়েমেন থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে ২০০ অনুসারী নিয়ে এ অঞ্চলে এসেছিলেন। পরবর্তীতে ধর্মীয় নেতা হিসাবে দ্রূত তার প্রাধান্য বিস্তার লাভ করে। ধারনা করা হয়, শাহ জামাল-এর নামানুসারে এই শহরের নামকরণ হয় জামালপুর। ১৯৭১ সালে ১০ ডিসেম্বর জামালপুর হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়। ১৯৭৮ সালে ২৬ ডিসেম্বর জামালপুরকে বাংলাদেশের ২০ তম জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
বিবরণ সম্পাদনা
জনসংখ্যা ২৩,৮৪,৮১০ জন; পুরুষ ৫০.৫৮%, মহিলা ৪৯.৪২%; মুসলিম ৯৭.৭৪%, হিন্দু ১.৯৮%, খ্রিষ্টান ০.০১%, বৌদ্ধ ০.০৪% এবং অন্যান্য ০.১৪%; উপজাতিগোষ্ঠী: গারো, হদি, কুর্মী এবং মাল অন্যতম।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: মসজিদ ৪২০২ টি, মন্দির ৪৪ টি, গীর্জা ৩৯, সমাধি ১৩, সবচেয়ে সুপরিচিত শৈলেরকান্ধা জামে মসজিদ, গৌরীপুর কাঁচারী জামে মসজিদ, শাহ জামাল (রা:) সমাধি, শাহ কামাল (রা:) এবং দয়াময়ী মন্দির।
শিক্ষা সম্পাদনা
শিক্ষার গড় হার ৩৯.৫৫%; যার মধ্যে পুরুষ ৪১.১% ও মহিলা ৩৫.৯%। এখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় - ১ টি,
মেডিকেল কলেজ - ১ টি,
সরকারী কলেজ - ৫ টি,
বেসরকারী কলেজ - ২০ টি,
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় - ৭ টি,
বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় - ২২৪ টি,
মাদ্রাসা - ১১৩ টি,
জুনিয়র হাইস্কুল - ৩৮ টি,
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় - ৫৮৮ টি,
বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় - ৩৯০,
কিন্ডার গার্টেন স্কুল - ১৩,
আইন কলেজ - ১ টি,
হোমিওপ্যাথি কলেজ - ১ টি,
কৃষি গবেষণা কেন্দ্র - ১ টি।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ সম্পাদনা
মুক্তিযোদ্ধা
মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম (১৯৩৭-১৯৭৫) - মুক্তিযুদ্ধে ২ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার এবং 'কে-ফোর্স'-এর সর্বাধিনায়ক;
মোঃ নুরুল ইসলাম (বীর বিক্রম);
মোঃ মতিউর রহমান (বীর প্রতীক);
বশির আহমেদ (বীর প্রতীক)।
রাজনীতিবিদ
মৌলভী মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার পাহলোয়ান (অবিভক্ত বাংলার আইনসভার সদস্য ১৯২১-১৯৩৯)
আব্দুল করিম - ঢাকার জগন্নাথ হলে ১৯৪৮ সালের ২৯ মার্চ ইস্ট বেঙ্গল লেজিসলেটিভ এসেম্বলির স্পিকার নির্বাচিত হন;
আব্দুস সালাম তালুকদার (১৯৩৬-১৯৯৯) - বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী ও চারদলীয় লিঁয়াজো কমিটির চেয়ারম্যান;
রাশেদ মোশারফ - সাবেক ভুমি প্রাতিমন্ত্রী;
এম এ সাত্তার - জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ।
আবুল কালাম আজাদ - সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী;
সিরাজুল হক - সাবেক স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী;
রেজাউল করিম হীরা - সাবেক ভূমি মন্ত্রী;
মির্জা আজম (১৯৬২ -) - হুইপ ও প্রতিমন্ত্রী।
আব্দুল কাইয়ুম (১৯৪৮ -) - সাবেক আই জি পি ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা।
শিক্ষাবিদ ও গবেষক
আতিউর রহমান - অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর।
সাহিত্যিক ও সাংবাদিক
হাসান হাফিজুর রহমান (১৯৩২-১৯৮৩) - প্রথিতযশা কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক, এবং মুক্তিযুদ্ধের দলিল সম্পাদনার জন্য খ্যাত;
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব
আনোয়ার হোসেন (অভিনেতা) (১৯৩১-২০১৩) - নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও মুকুটহীন সম্রাট নামে খ্যাত;
আমজাদ হোসেন (১৯৪২ -) - বিশিষ্ট অভিনেতা, লেখক এবং ব্যতিক্রমধর্মী চলচ্চিত্রকার;
আব্দুল্লাহ আল মামুন (১৯৪২-২০০৮) - নাট্যব্যক্তিত্ব;
নজরুল ইসলাম বাবু বিখ্যাত গীতিকার ও শিল্পী।
ক্রীড়া ব্যাক্তিত্ত্ব
রকিবুল হাসান (জন্মঃ ১৯৮৭) - ক্রিকেটার;
জুবায়ের হোসেন - ক্রিকেটার।
বিশে
চিত্তাকর্ষক স্থান সম্পাদনা
শাহ জামাল-এর মাজার - জামালপুর সদর;
গারো পাহাড়ে, লাউচাপড়া পাহাড়িকা বিনোদন কেন্দ্র :- বকশীগঞ্জ উপজেলায় ।
মুক্তিযুদ্ধে কামালপুর ১১ নং সেক্টর :
কামালপুর স্থলবন্দর :
বকশীগঞ্জ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ।
বকশীগঞ্জ জুট ষ্পিনার্স মিল লিঃ ও লেদার মিল লিঃ
দয়াময়ী মন্দির - জামালপুর শহর ।
যমুনা ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি - তারাকান্দি, সরিষাবাড়ী;
জিল বাংলা চিনিকল - দেওয়ানগঞ্জ;
যমুনা গার্ডেন সিটি - রুদ্রবয়ড়া, সরিষাবাড়ি।
স্থানাঙ্ক: ২৪.৯২° উত্তর ৮৯.৯৬° পূর্ব
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ
আয়তন
• মোট ২০৩১.৯৮ কিমি২ (৭৮৪.৫৫ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (2011)
• মোট ২৩,৮৪,৮১০[১]
স্বাক্ষরতার হার
• মোট ৩৮.৫%(
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট http://www.jamalpur.gov.bd/
জামালপুর জেলা বাংলাদেশের উত্তর-মধ্যাংশের ময়মনসিংহ বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ২০১৫ পর্যন্ত এটি ঢাকা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিল। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। বিশেষ করে কৃষি পণ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। এটি রেল পথে ময়মনসিংহ, জগন্নাথগঞ্জ ঘাট, এবং বাহাদুরাবাদ ঘাট ও ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, এবং মেঘালয় (ভারত) এর সঙ্গে রাস্তা দ্বারা সংযুক্ত। কৃষি প্রধান এ অঞ্চলে মূলত প্রধান ফসলের মধ্যে ধান, পাট, আখ, সরিষা বীজ, চিনাবাদাম, এবং গম হয়।
ভৌগোলিক সীমানা সম্পাদনা
জামালপুর জেলার উত্তরে কুড়িগ্রাম জেলা এবং শেরপুর জেলা, দক্ষিণে টাঙ্গাইল জেলা, পূর্বে শেরপুর জেলা ও ময়মনসিংহ জেলা এবং পশ্চিমে বগুড়া জেলা ও যমুনা নদী অবস্থিত।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ সম্পাদনা
জামালপুর জেলা ৭টি উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত; এগুলো হলোঃ
ইসলামপুর,
জামালপুর সদর,
দেওয়ানগঞ্জ,
বকশীগঞ্জ,
মাদারগঞ্জ,
মেলান্দহ এবং
সরিষাবাড়ি।
ইতিহাস সম্পাদনা
ঐতিহাসিক সূত্রে জানাযায়, দিল্লির সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে (১৫৫৬- ১৬০৫) হযরত শাহ জামাল (রহ.) নামে একজন ধর্মপ্রচারক ইয়েমেন থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে ২০০ অনুসারী নিয়ে এ অঞ্চলে এসেছিলেন। পরবর্তীতে ধর্মীয় নেতা হিসাবে দ্রূত তার প্রাধান্য বিস্তার লাভ করে। ধারনা করা হয়, শাহ জামাল-এর নামানুসারে এই শহরের নামকরণ হয় জামালপুর। ১৯৭১ সালে ১০ ডিসেম্বর জামালপুর হানাদার বাহিনী মুক্ত হয়। ১৯৭৮ সালে ২৬ ডিসেম্বর জামালপুরকে বাংলাদেশের ২০ তম জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
বিবরণ সম্পাদনা
জনসংখ্যা ২৩,৮৪,৮১০ জন; পুরুষ ৫০.৫৮%, মহিলা ৪৯.৪২%; মুসলিম ৯৭.৭৪%, হিন্দু ১.৯৮%, খ্রিষ্টান ০.০১%, বৌদ্ধ ০.০৪% এবং অন্যান্য ০.১৪%; উপজাতিগোষ্ঠী: গারো, হদি, কুর্মী এবং মাল অন্যতম।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: মসজিদ ৪২০২ টি, মন্দির ৪৪ টি, গীর্জা ৩৯, সমাধি ১৩, সবচেয়ে সুপরিচিত শৈলেরকান্ধা জামে মসজিদ, গৌরীপুর কাঁচারী জামে মসজিদ, শাহ জামাল (রা:) সমাধি, শাহ কামাল (রা:) এবং দয়াময়ী মন্দির।
শিক্ষা সম্পাদনা
শিক্ষার গড় হার ৩৯.৫৫%; যার মধ্যে পুরুষ ৪১.১% ও মহিলা ৩৫.৯%। এখানকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় - ১ টি,
মেডিকেল কলেজ - ১ টি,
সরকারী কলেজ - ৫ টি,
বেসরকারী কলেজ - ২০ টি,
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় - ৭ টি,
বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় - ২২৪ টি,
মাদ্রাসা - ১১৩ টি,
জুনিয়র হাইস্কুল - ৩৮ টি,
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় - ৫৮৮ টি,
বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় - ৩৯০,
কিন্ডার গার্টেন স্কুল - ১৩,
আইন কলেজ - ১ টি,
হোমিওপ্যাথি কলেজ - ১ টি,
কৃষি গবেষণা কেন্দ্র - ১ টি।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ সম্পাদনা
মুক্তিযোদ্ধা
মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম (১৯৩৭-১৯৭৫) - মুক্তিযুদ্ধে ২ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার এবং 'কে-ফোর্স'-এর সর্বাধিনায়ক;
মোঃ নুরুল ইসলাম (বীর বিক্রম);
মোঃ মতিউর রহমান (বীর প্রতীক);
বশির আহমেদ (বীর প্রতীক)।
রাজনীতিবিদ
মৌলভী মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার পাহলোয়ান (অবিভক্ত বাংলার আইনসভার সদস্য ১৯২১-১৯৩৯)
আব্দুল করিম - ঢাকার জগন্নাথ হলে ১৯৪৮ সালের ২৯ মার্চ ইস্ট বেঙ্গল লেজিসলেটিভ এসেম্বলির স্পিকার নির্বাচিত হন;
আব্দুস সালাম তালুকদার (১৯৩৬-১৯৯৯) - বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী ও চারদলীয় লিঁয়াজো কমিটির চেয়ারম্যান;
রাশেদ মোশারফ - সাবেক ভুমি প্রাতিমন্ত্রী;
এম এ সাত্তার - জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ।
আবুল কালাম আজাদ - সাবেক তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী;
সিরাজুল হক - সাবেক স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী;
রেজাউল করিম হীরা - সাবেক ভূমি মন্ত্রী;
মির্জা আজম (১৯৬২ -) - হুইপ ও প্রতিমন্ত্রী।
আব্দুল কাইয়ুম (১৯৪৮ -) - সাবেক আই জি পি ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা।
শিক্ষাবিদ ও গবেষক
আতিউর রহমান - অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর।
সাহিত্যিক ও সাংবাদিক
হাসান হাফিজুর রহমান (১৯৩২-১৯৮৩) - প্রথিতযশা কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক, এবং মুক্তিযুদ্ধের দলিল সম্পাদনার জন্য খ্যাত;
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব
আনোয়ার হোসেন (অভিনেতা) (১৯৩১-২০১৩) - নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও মুকুটহীন সম্রাট নামে খ্যাত;
আমজাদ হোসেন (১৯৪২ -) - বিশিষ্ট অভিনেতা, লেখক এবং ব্যতিক্রমধর্মী চলচ্চিত্রকার;
আব্দুল্লাহ আল মামুন (১৯৪২-২০০৮) - নাট্যব্যক্তিত্ব;
নজরুল ইসলাম বাবু বিখ্যাত গীতিকার ও শিল্পী।
ক্রীড়া ব্যাক্তিত্ত্ব
রকিবুল হাসান (জন্মঃ ১৯৮৭) - ক্রিকেটার;
জুবায়ের হোসেন - ক্রিকেটার।
বিশে
চিত্তাকর্ষক স্থান সম্পাদনা
শাহ জামাল-এর মাজার - জামালপুর সদর;
গারো পাহাড়ে, লাউচাপড়া পাহাড়িকা বিনোদন কেন্দ্র :- বকশীগঞ্জ উপজেলায় ।
মুক্তিযুদ্ধে কামালপুর ১১ নং সেক্টর :
কামালপুর স্থলবন্দর :
বকশীগঞ্জ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ।
বকশীগঞ্জ জুট ষ্পিনার্স মিল লিঃ ও লেদার মিল লিঃ
দয়াময়ী মন্দির - জামালপুর শহর ।
যমুনা ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি - তারাকান্দি, সরিষাবাড়ী;
জিল বাংলা চিনিকল - দেওয়ানগঞ্জ;
যমুনা গার্ডেন সিটি - রুদ্রবয়ড়া, সরিষাবাড়ি।
