এমন রেকর্ড নেই খোদ ডিয়েগো
ম্যারাডোনারও। ইতালির সিরি ‘আ’-
তে এক মৌসুমে ৩৬ গোল! আশির দশকে
ম্যারাডোনা নাপোলির হয়ে
বিস্ময়কর সব রূপকথার জন্ম দিয়েছিলেন।
তখনো ম্যারাডোনাও গড়তে
পারেননি এই কীর্তি। ম্যারাডোনা
যা পারেননি, নাপোলির আকাশি-
নীল জার্সি গায়ে সেটাই করে
দেখালেন তাঁরই উত্তরসূরি গঞ্জালো
হিগুয়েইন। এক মৌসুমে ৩৬ গোল করে
তিনি এখন সিরি ‘আ’-র ইতিহাসে এক
মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডের
মালিক। হিগুয়েইন ভাঙলেন ৬৬ বছর
পুরোনো এক রেকর্ড।
ফ্রোজিনোনের বিপক্ষে নাপোলির
৪-০ গোলে জয়ে হিগুয়েইনের পা
থেকে আসা হ্যাটট্রিকই তাঁকে
বসিয়ে দিল এই অনন্য কীর্তির চূড়ায়।
১৯৪৯-৫০ মৌসুমে এসি মিলানের গুনার
নোর্দাল ৩৫ গোল করে এই রেকর্ডটিকে
এত দিন নিজের করে রেখেছিলেন।
নোর্দালের চেয়ে একটি গোল বেশি
করে হিগুয়েইন ভেঙে দিলেন সাড়ে
ছয় দশকেরও বেশি পুরোনো রেকর্ডটি।
এই মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার
তালিকায় হিগুয়েইনের ধারে-
কাছেও কেউ নেই। লিগে খেলেছেনও
তিনটি ম্যাচ কম। ৩৫ ম্যাচে ৩৬ গোল—
তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ না হলে ৪০
গোলের মাইলফলকটাও ছুঁয়ে ফেলতেন।
ইতালির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাও
আর্জেন্টাইন—পাওলো দিবালা।
জুভেন্টাসের এই স্ট্রাইকারের
গোলসংখ্যা ১৯। সর্বোচ্চ গোলদাতা
হলেও হিগুয়েইন কিন্তু তাঁর দলকে লিগ
জেতাতে পারেননি। টানা
পঞ্চমবারের মতো ইতালীয় সিরি ‘আ’–র
শিরোপাটা নিজেদের করে
নিয়েছে দিবালার জুভেন্টাস।
নাপোলি অবশ্য দুইয়ে থেকে লিগ
শেষ করে চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত
করেছে।
ঠিক এই জায়গাটিতেই ম্যারাডোনা
এগিয়ে থাকবেন তাঁর স্বদেশি
স্ট্রাইকারের চেয়ে, শুধু লিগ নয়,
ম্যারাডোনা যে ইউরোপ পর্যায়েও
নাপোলিকে এনে দিয়েছিলেন
সাফল্য। আবার এটাও সত্যি,
ম্যারাডোনা হিগুয়েইনের মতো
পুরোদস্তুর স্ট্রাইকার ছিলেন না। তবু
ইতালির ক্লাবটির হয়ে ২৫৯ ম্যাচে
করেছিলেন ১১৯ গোল!
ম্যারাডোনারও। ইতালির সিরি ‘আ’-
তে এক মৌসুমে ৩৬ গোল! আশির দশকে
ম্যারাডোনা নাপোলির হয়ে
বিস্ময়কর সব রূপকথার জন্ম দিয়েছিলেন।
তখনো ম্যারাডোনাও গড়তে
পারেননি এই কীর্তি। ম্যারাডোনা
যা পারেননি, নাপোলির আকাশি-
নীল জার্সি গায়ে সেটাই করে
দেখালেন তাঁরই উত্তরসূরি গঞ্জালো
হিগুয়েইন। এক মৌসুমে ৩৬ গোল করে
তিনি এখন সিরি ‘আ’-র ইতিহাসে এক
মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডের
মালিক। হিগুয়েইন ভাঙলেন ৬৬ বছর
পুরোনো এক রেকর্ড।
ফ্রোজিনোনের বিপক্ষে নাপোলির
৪-০ গোলে জয়ে হিগুয়েইনের পা
থেকে আসা হ্যাটট্রিকই তাঁকে
বসিয়ে দিল এই অনন্য কীর্তির চূড়ায়।
১৯৪৯-৫০ মৌসুমে এসি মিলানের গুনার
নোর্দাল ৩৫ গোল করে এই রেকর্ডটিকে
এত দিন নিজের করে রেখেছিলেন।
নোর্দালের চেয়ে একটি গোল বেশি
করে হিগুয়েইন ভেঙে দিলেন সাড়ে
ছয় দশকেরও বেশি পুরোনো রেকর্ডটি।
এই মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার
তালিকায় হিগুয়েইনের ধারে-
কাছেও কেউ নেই। লিগে খেলেছেনও
তিনটি ম্যাচ কম। ৩৫ ম্যাচে ৩৬ গোল—
তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ না হলে ৪০
গোলের মাইলফলকটাও ছুঁয়ে ফেলতেন।
ইতালির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাও
আর্জেন্টাইন—পাওলো দিবালা।
জুভেন্টাসের এই স্ট্রাইকারের
গোলসংখ্যা ১৯। সর্বোচ্চ গোলদাতা
হলেও হিগুয়েইন কিন্তু তাঁর দলকে লিগ
জেতাতে পারেননি। টানা
পঞ্চমবারের মতো ইতালীয় সিরি ‘আ’–র
শিরোপাটা নিজেদের করে
নিয়েছে দিবালার জুভেন্টাস।
নাপোলি অবশ্য দুইয়ে থেকে লিগ
শেষ করে চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত
করেছে।
ঠিক এই জায়গাটিতেই ম্যারাডোনা
এগিয়ে থাকবেন তাঁর স্বদেশি
স্ট্রাইকারের চেয়ে, শুধু লিগ নয়,
ম্যারাডোনা যে ইউরোপ পর্যায়েও
নাপোলিকে এনে দিয়েছিলেন
সাফল্য। আবার এটাও সত্যি,
ম্যারাডোনা হিগুয়েইনের মতো
পুরোদস্তুর স্ট্রাইকার ছিলেন না। তবু
ইতালির ক্লাবটির হয়ে ২৫৯ ম্যাচে
করেছিলেন ১১৯ গোল!
