রবীন্দ্র জাদেজা হয়তো আজকালের
মধ্যেই ঋষভ পান্টের শরণাপন্ন হবেন।
প্রশ্নটিও অনুমান করে ফেলা যায়,
‘কীভাবে? মুস্তাফিজের বল খেললে
কীভাবে?’ কাল সবাইকে অবাক করে
মুস্তাফিজুর রহমানের বলে ২৬ রান
নিয়েছেন পান্ট। মুস্তাফিজের
মুখোমুখি হয়ে প্রতিবার হতাশা উপহার
পাওয়া জাদেজার কাছে এটি
অবিশ্বাস্য ঠেকতেই পারে। অবশ্য
অধিকাংশ আইপিএলে ব্যাটসম্যানেরই
জাদেজার দশা। মুস্তাফিজের কাটার,
স্লোয়ারে বিভ্রান্ত সবাই।
অবশ্য ব্যাটসম্যানরা খানিকটা
সান্ত্বনা খুঁজে নিতে পারেন
আম্পায়ারদের কাছ থেকে। খোদ
আম্পায়াররাই যে বুঝে উঠতে পারছেন
না মুস্তাফিজের বলে যে সিদ্ধান্ত
দিচ্ছেন তা সঠিক হচ্ছে কি না!
মুস্তাফিজের বোলিং দেখে এটা এখন
সবাই জানেন, লেগ স্ট্যাম্প লাইনে বল
করাতেই স্বচ্ছন্দ তিনি। ফলে
আম্পায়াররা তাঁর বলে এলবিডব্লুর
সিদ্ধান্ত দেওয়া নিয়ে দ্বিধান্বিত
থাকেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঠিক
বুঝে উঠতে পারেন না বলটি লেগ
স্টাম্পে লাগবে নাকি অন্য দিক দিয়ে
বেরিয়ে যাবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব
ইন্ডিয়াকে এক আম্পায়ার জানালেন,
‘তাঁর অনেক বৈচিত্র্য। নিজের
ইচ্ছেমতো বলের দিক পরিবর্তন করতে
পারে। তাঁর কার্যকর কিছু কাটার আছে।
আর বল করার সময় অফ স্টাম্প কিংবা
লেগ স্টাম্পে পিচ করতেই পছন্দ করে।
মিডল স্টাম্প ঘরানার বোলার নন
তিনি।’ এ কারণেই মুস্তাফিজের বল
লেগ স্টাম্পে লাগবে কি না এ নিয়ে
সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে
আম্পায়ারদের জন্য।
আম্পায়ারদের দোষ দেওয়া যাচ্ছে
না। কখনো অফ কাটার, কখনো লেগ
কাটার, কখনো স্লোয়ার করছেন আবার
প্রয়োজন মতো ১৪০ কিমি গতিতে
ইয়র্কারও দিচ্ছেন। ব্যাটসম্যানের সঙ্গে
সঙ্গে আম্পায়াররাও তাই দ্বিধান্বিত
পরের বলটি কী হবে!
কিংবদন্তি লেগ স্পিনার আব্দুল
কাদিরের ক্ষেত্রেও এ ধরনের
ঝামেলায় পরতেন আম্পায়াররা।
আম্পায়ারদের ভুল সিদ্ধান্তে বারবার
উইকেট থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ত্যক্ত
বিরক্ত কাদির পরের দিকে বল করার
আগে আম্পায়ারের পাশ দিয়ে
যাওয়ার সময় বলে দিতেন এই বলটি
গুগলি হবে না লেগ স্পিন!
মুস্তাফিজকেও কী এ ধরনের কিছু করতে
হবে নাকি!
মধ্যেই ঋষভ পান্টের শরণাপন্ন হবেন।
প্রশ্নটিও অনুমান করে ফেলা যায়,
‘কীভাবে? মুস্তাফিজের বল খেললে
কীভাবে?’ কাল সবাইকে অবাক করে
মুস্তাফিজুর রহমানের বলে ২৬ রান
নিয়েছেন পান্ট। মুস্তাফিজের
মুখোমুখি হয়ে প্রতিবার হতাশা উপহার
পাওয়া জাদেজার কাছে এটি
অবিশ্বাস্য ঠেকতেই পারে। অবশ্য
অধিকাংশ আইপিএলে ব্যাটসম্যানেরই
জাদেজার দশা। মুস্তাফিজের কাটার,
স্লোয়ারে বিভ্রান্ত সবাই।
অবশ্য ব্যাটসম্যানরা খানিকটা
সান্ত্বনা খুঁজে নিতে পারেন
আম্পায়ারদের কাছ থেকে। খোদ
আম্পায়াররাই যে বুঝে উঠতে পারছেন
না মুস্তাফিজের বলে যে সিদ্ধান্ত
দিচ্ছেন তা সঠিক হচ্ছে কি না!
মুস্তাফিজের বোলিং দেখে এটা এখন
সবাই জানেন, লেগ স্ট্যাম্প লাইনে বল
করাতেই স্বচ্ছন্দ তিনি। ফলে
আম্পায়াররা তাঁর বলে এলবিডব্লুর
সিদ্ধান্ত দেওয়া নিয়ে দ্বিধান্বিত
থাকেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ঠিক
বুঝে উঠতে পারেন না বলটি লেগ
স্টাম্পে লাগবে নাকি অন্য দিক দিয়ে
বেরিয়ে যাবে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব
ইন্ডিয়াকে এক আম্পায়ার জানালেন,
‘তাঁর অনেক বৈচিত্র্য। নিজের
ইচ্ছেমতো বলের দিক পরিবর্তন করতে
পারে। তাঁর কার্যকর কিছু কাটার আছে।
আর বল করার সময় অফ স্টাম্প কিংবা
লেগ স্টাম্পে পিচ করতেই পছন্দ করে।
মিডল স্টাম্প ঘরানার বোলার নন
তিনি।’ এ কারণেই মুস্তাফিজের বল
লেগ স্টাম্পে লাগবে কি না এ নিয়ে
সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে
আম্পায়ারদের জন্য।
আম্পায়ারদের দোষ দেওয়া যাচ্ছে
না। কখনো অফ কাটার, কখনো লেগ
কাটার, কখনো স্লোয়ার করছেন আবার
প্রয়োজন মতো ১৪০ কিমি গতিতে
ইয়র্কারও দিচ্ছেন। ব্যাটসম্যানের সঙ্গে
সঙ্গে আম্পায়াররাও তাই দ্বিধান্বিত
পরের বলটি কী হবে!
কিংবদন্তি লেগ স্পিনার আব্দুল
কাদিরের ক্ষেত্রেও এ ধরনের
ঝামেলায় পরতেন আম্পায়াররা।
আম্পায়ারদের ভুল সিদ্ধান্তে বারবার
উইকেট থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ত্যক্ত
বিরক্ত কাদির পরের দিকে বল করার
আগে আম্পায়ারের পাশ দিয়ে
যাওয়ার সময় বলে দিতেন এই বলটি
গুগলি হবে না লেগ স্পিন!
মুস্তাফিজকেও কী এ ধরনের কিছু করতে
হবে নাকি!
