শেরপুর জেলা
বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা
শেরপুর জেলা বাংলাদেশের
ময়মনসিংহ বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পূর্বে ১৮২৯-২০১৫ পর্যন্ত এটি
ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত ছিল। শেরপুর জেলার আয়তন ১,৩৬৩.৭৬ বর্গকিলোমিটার ও ২০১১ আদমশুমারি অনুসারে জনসংখ্যা ১৩,৩৪,০০০ জন। ১৯৮৪ সালে বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে পৃথক হয়ে শেরপুর জেলা গঠিত হয়।
বাংলাদেশে শেরপুর জেলার অবস্
স্থানাঙ্ক:
২৫°০১′উত্তর ৯০°০৭′পূর্ব / ২৫.০২° উত্তর ৯০.
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ
আয়তন
• মোট ১৩৬৩.৭৬ কিমি ২ (৫২৬.৫৫ বর্
জনসংখ্যা (2011)
• মোট ১৪,০৭,৪৬৮ [১]
স্বাক্ষরতার হার
• মোট ৩৮.০৪%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬ )
ভৌগোলিক সীমানা
উত্তরে মেঘালয়, দক্ষিণ ও পশ্চিমে
জামালপুর জেলা, ও পূর্ব দিকে
ময়মনসিংহ জেলা।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
শেরপুর জেলায় ৫টি উপজেলা রয়েছে; এগুলো হলোঃ
ঝিনাইগাতী ,
নকলা,
নালিতাবাড়ী ,
শেরপুর সদর এবং
শ্রীবরদী।
অর্থনীতি
শেরপুরের অর্থনীতি বহুলাংশে ধানের চাতালের উপর নির্ভরশীল। প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি কুঁড়া, তুষ সহ অনেক ছোট ছোট শিল্পের যোগান ও পরিবহন খাতের গ্রাহক হয়ে সাহায্য করছে এইসব চাতাল। তাছাড়া শেরপুর জেলার প্রধান ফসল ধান এবং পাট।
দর্শনীয় স্থানসমুহ
গজনী
মধুটিলা ইকোপার্ক
শের আলী গাজীর মাজার
জরিপ শাহ এর মাজার
শাহ কামাল এর মাজার
বার দুয়ারী মসজিদ
ঘাগড়া লস্কর খান মসজিদ
মাইসাহেবা জামে মসজিদ।
পানি হাটা দিঘই
নয়াআনী বাজার নাট মন্দির
রঘুনাথ মন্দির
জিকে পাইলট স্কুল
গড়জরিপা কালিদহ গাং এর ডিঙি
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব
শের আলী গাজী ;
আফসার আলী - বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা;
রবি নিয়োগী - বিপ্লবী;
খন্দকার আব্দুল হামিদ - প্রতিমন্ত্রী।
বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগের জেলা
শেরপুর জেলা বাংলাদেশের
ময়মনসিংহ বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। পূর্বে ১৮২৯-২০১৫ পর্যন্ত এটি
ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত ছিল। শেরপুর জেলার আয়তন ১,৩৬৩.৭৬ বর্গকিলোমিটার ও ২০১১ আদমশুমারি অনুসারে জনসংখ্যা ১৩,৩৪,০০০ জন। ১৯৮৪ সালে বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে পৃথক হয়ে শেরপুর জেলা গঠিত হয়।
বাংলাদেশে শেরপুর জেলার অবস্
স্থানাঙ্ক:
২৫°০১′উত্তর ৯০°০৭′পূর্ব / ২৫.০২° উত্তর ৯০.
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ
আয়তন
• মোট ১৩৬৩.৭৬ কিমি ২ (৫২৬.৫৫ বর্
জনসংখ্যা (2011)
• মোট ১৪,০৭,৪৬৮ [১]
স্বাক্ষরতার হার
• মোট ৩৮.০৪%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬ )
ভৌগোলিক সীমানা
উত্তরে মেঘালয়, দক্ষিণ ও পশ্চিমে
জামালপুর জেলা, ও পূর্ব দিকে
ময়মনসিংহ জেলা।
প্রশাসনিক এলাকাসমূহ
শেরপুর জেলায় ৫টি উপজেলা রয়েছে; এগুলো হলোঃ
ঝিনাইগাতী ,
নকলা,
নালিতাবাড়ী ,
শেরপুর সদর এবং
শ্রীবরদী।
অর্থনীতি
শেরপুরের অর্থনীতি বহুলাংশে ধানের চাতালের উপর নির্ভরশীল। প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি কুঁড়া, তুষ সহ অনেক ছোট ছোট শিল্পের যোগান ও পরিবহন খাতের গ্রাহক হয়ে সাহায্য করছে এইসব চাতাল। তাছাড়া শেরপুর জেলার প্রধান ফসল ধান এবং পাট।
দর্শনীয় স্থানসমুহ
গজনী
মধুটিলা ইকোপার্ক
শের আলী গাজীর মাজার
জরিপ শাহ এর মাজার
শাহ কামাল এর মাজার
বার দুয়ারী মসজিদ
ঘাগড়া লস্কর খান মসজিদ
মাইসাহেবা জামে মসজিদ।
পানি হাটা দিঘই
নয়াআনী বাজার নাট মন্দির
রঘুনাথ মন্দির
জিকে পাইলট স্কুল
গড়জরিপা কালিদহ গাং এর ডিঙি
বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব
শের আলী গাজী ;
আফসার আলী - বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা;
রবি নিয়োগী - বিপ্লবী;
খন্দকার আব্দুল হামিদ - প্রতিমন্ত্রী।