নিরাপত্তাহীনতার কারণে
বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে
ভারতে চলে যাওয়া হিন্দুরা খুব
শিগগিরই দেশটির নাগরিকত্ব দাবি
করতে পারবে। এ লক্ষ্যে ভারতের
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদ্যমান নাগরিকত্ব
আইন সংশোধন করার প্রস্তুতি সম্পন্ন
করেছে।
দেশ ছেড়ে যাওয়া লোকদের 'অবৈধ
অভিবাসী' হিসেবে গণ্য করা হয়
ভারতে। তবে বিজেপি সরকারের এই
সিদ্ধান্তের পেছনে মানবিকতা নয়
বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে
জানিয়েছে ভারতের গণমাধ্যমগুলো।
'হিন্দুত্ব এজেন্ডা' বাস্তবায়ন করতে
বিজেপি এই কাজ করছে বলে দেশটির
ভেতরেই এর বিরুদ্ধে সমালোচনা
রয়েছে।
ভারতে বর্তমানে ১৯৫৫ সালে প্রণীত
আইন দ্বারা নাগরিকত্ব নির্ধারিত হয়।
আইনটি সংশোধন করে, আশ্রয় নেয়া
হিন্দুদের ভারতে থেকে যাওয়ার
আইনি পথ সুগম করতে চায় সরকার।
ভারতের গণমাধ্যমগুলো বলছে, এর
মাধ্যমে মোদী সরকার এই বার্তাটিই
দিতে চায় যে প্রতিবেশী
দেশগুলোতে নির্যাতিত হিন্দুদের
শেষ আশ্রয়স্থল ভারত।
দেশ দুটি থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের
কেউ অর্থনৈতিক কারণে ভারতে
গেলে এই সুবিধা পাবে না।
সেক্ষেত্রে তারা বহিরাগত
হিসেবেই বিবেচিত হবে। সূত্র: টাইমস
অব ইন্ডিয়া
বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে
ভারতে চলে যাওয়া হিন্দুরা খুব
শিগগিরই দেশটির নাগরিকত্ব দাবি
করতে পারবে। এ লক্ষ্যে ভারতের
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদ্যমান নাগরিকত্ব
আইন সংশোধন করার প্রস্তুতি সম্পন্ন
করেছে।
দেশ ছেড়ে যাওয়া লোকদের 'অবৈধ
অভিবাসী' হিসেবে গণ্য করা হয়
ভারতে। তবে বিজেপি সরকারের এই
সিদ্ধান্তের পেছনে মানবিকতা নয়
বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে
জানিয়েছে ভারতের গণমাধ্যমগুলো।
'হিন্দুত্ব এজেন্ডা' বাস্তবায়ন করতে
বিজেপি এই কাজ করছে বলে দেশটির
ভেতরেই এর বিরুদ্ধে সমালোচনা
রয়েছে।
ভারতে বর্তমানে ১৯৫৫ সালে প্রণীত
আইন দ্বারা নাগরিকত্ব নির্ধারিত হয়।
আইনটি সংশোধন করে, আশ্রয় নেয়া
হিন্দুদের ভারতে থেকে যাওয়ার
আইনি পথ সুগম করতে চায় সরকার।
ভারতের গণমাধ্যমগুলো বলছে, এর
মাধ্যমে মোদী সরকার এই বার্তাটিই
দিতে চায় যে প্রতিবেশী
দেশগুলোতে নির্যাতিত হিন্দুদের
শেষ আশ্রয়স্থল ভারত।
দেশ দুটি থেকে মুসলিম সম্প্রদায়ের
কেউ অর্থনৈতিক কারণে ভারতে
গেলে এই সুবিধা পাবে না।
সেক্ষেত্রে তারা বহিরাগত
হিসেবেই বিবেচিত হবে। সূত্র: টাইমস
অব ইন্ডিয়া
